সম্পাদকীয়
এই রোজায় নিজের মাঝে কেন Altruism বা নিঃস্বার্থপরতা রাখবেন না, সেটা আগে বলি। জীবনে হয়ত আপনি অনেকবার আগ বাড়িয়ে কোনও এক্সপেকটেশন ছাড়া সাহায্য করেছেন। বিনিময়ে আপনি কিছুই চাননি। যার সাহায্যে এগিয়েছিলেন, আপনি তার কাছ থেকে ধারণা পেয়েছিলেন যে, তার সাহায্য দরকার।
সাহায্য করার সময় দেখলেন তার কাছে তো অনেক সাহায্যকারী। যেমন: কারও প্রয়োজনে আপনি উচ্চপদস্থ কারও ফোন নাম্বার দিয়ে তাকে সাহায্য করলেন। পরক্ষণে দেখলেন সে দু’একজন উচ্চপদস্থ লোকের কথোপকথনের স্ক্রিনশট আপনাকে দিতে লাগল।
আপনার নাম্বারটা ডিরেক্ট কমিউনিকেশনের হলেও তারগুলোই তার কাছে তখন ইম্পরটেন্ট হয়ে গেল। মানে আপনি ইনভ্যালিড। আপনার মোটিভেশন ডাউনওয়ার্ড। এরকম অসংখ্য উদাহরণ আপনি পাবেন।
আপনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা দিলেন তার কাজে, এরপর দেখলেন সে আপনার পরামর্শ অপ্রয়োজনীয় বা সহজলভ্য মনে করতে লাগল। তবে এই সমস্যাগুলো পরিচিত ও অল্প পরিচিতদের ক্ষেত্রে বেশি হয়ে থাকে।
তাহলে কী কী করবেন রোজায়?
ইনশাআল্লাহ- কোরআন, হাদিস অনুযায়ী ইবাদত ও সদকা করবেন। নিয়ম-কানুন মেনে নিয়মিত ইবাদত করবেন। সেলফ কেয়ার করবেন। ইফতার পার্টি কম করে ফ্যামিলিকে সময় দিবেন।
প্রকৃত অর্থে যাদের সাহায্য প্রয়োজন, তাদের দিকে নজর দিবেন। সুদের সংশ্লিষ্টতা বন্ধ করবেন। অ্যালট্রুইজমে বাউন্ডারি টানবেন। অন্যায় ও অন্যায়কারীর কাছ থেকে দূরে থাকবেন।
যারা সমালোচনা বোঝে না, তাদের সাথে আলাপে জড়াবেন না। পজেটিভ আচরণকারীর সাহচর্যে থাকবেন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন। সর্বদা আল্লাহতাআলার সাহায্য চাইবেন।
আপনার জীবন সিয়ামের শুদ্ধতায় ভরে উঠুক। জাযাকাল্লাহ খাইরান।











